মোঃ মাঈনুউদ্দিন বাহাদুর, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লা মুরাদনগরে পল্লী সঞ্চয় প্রকল্প (একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের মাঠ কর্মীর বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বাঙ্গরা বাজার থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর মাঠ কর্মী সাদেকুল ইসলাম ও ইসরাফিলের নামসহ তিনজনের নামসহ অজ্ঞাত আরো ৪ /৫ জনের নামে একটি
লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
৭নং পশ্চিম বাঙ্গরা ইউনিয়ন এর কুরুন্ডী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর স্ত্রী রুমি আক্তার।
ভুক্তভোগী রুমি আক্তার বলেন, বিগত ২০২১ সালে একটি বাড়ী একটি খামার (পল্লি সঞ্চয়), মুরাদনগর শাখা, কুমিল্লা হইতে মাসিক কিস্তিতে ৫০,০০০/- টাকা ঋণ গ্রহণ করি। আমি উক্ত ঋণ গ্রহন করার পর ১নং বিবাদী ১/২ মাস পর পর আমার নিকট হইতে কিস্তির টাকা গ্রহণ করে এবং কিস্তির বইতে স্বাক্ষর প্রদান করে। আমি উক্ত ঋণের লভাংশসহ সমস্ত টাকা পরিশোধ করার পর তাদের অফিসের নিয়ম অনুযায়ী ১ ও ২নং বিবাদী আমার নিকট হইতে কিস্তি জমা বইটি নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ১ ও ২নং বিবাদী আমার কিস্তি জমার বইটি আমাকে ফেরত না দেওয়ায় আমি তাদের অফিসে গেলে বিবাদীরা আমাকে বই দেম দিচ্ছি বলে ঘুরাইতে থাকে। একপর্যায়ে আমি বিবাদীদের নিকট হইতে আমার কিস্তি জমার বইটি নিয়া দেখি যে, ১ ও ২নং বিবাদী আমার কিস্তির জমার বই হইতে একটি পাতা ছিরিয়া ফেলে এবং কিস্তির সম্পূর্ণ টাকা বইতে তুলা নাই। এছাড়াও বিবাদীরা আমাদের গ্রামের প্রায় ৩৫/৪০ জন গ্রাহকের কিস্তির টাকা উত্তোলন করিলেও তারা উক্ত টাকা অফিসে (অনলাইনে) জমা না দিয়া এবং বইতে লিপিবদ্ধ না করিয়া নিজেরা আত্মসাৎ করে। আমি বিবাদীদেরকে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তাহারা আমার বাড়ীতে যাইয়া উক্ত বিষয়টি সমাধান করিবে বলিয়া জানায়।
এমতাবস্থায়, গত ০৪/০২/২০২৫ইং তারিখ দুপুর অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত বিবাদীগনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ০৪ জন বিবাদী আমাদের বাড়ীতে আসে এবং আমিসহ অন্যান্য গ্রাহকের নিকট টাকা চায়। তখন উক্ত বিষয় নিয়া বিবাদীদের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। উক্ত কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিবাদীরা আমার সহিত খারাপ আচরণ করতঃ আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। তখন আমার শোর চিৎকারে সাক্ষীগনসহ আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে আমি বিবাদীদেরকে টাকা না দিলে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়া আমাকে হয়রানী করিবে মর্মে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহফুজুর রহমান বলেন একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের কোন গ্রাহক ক্ষতি গ্রস্থ হলে এটি তারা ই সমাধান দিবে, হাতাহাতির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাদেকুল ইসলাম এর সাথে মুটো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সে মোবাইল রিসিভ করেনি