মোহাম্মদ রকিবুল হক, ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ
গত মঙ্গলবার নাজিরহাটের আজম রোডের মাথায় এফ টি ওয়াই কনভেনশন হলের সামনে সিএনজি ও টেম্পুর মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রান গেলো ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়নহাট ইউনিয়নের ইউসুফের ছেলে পারভেজ ও রেহানা আক্তার তানিয়া (২৫)। তানিয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী
নিহত চবি ছাত্রীর স্বজন এনামুল হক বলেন, দুর্ঘটনায় আমার ভাগ্নি তানিয়া মারা গেছে। সে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগে মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। তার গ্রামের বাড়ি হাটহাজারী হলেও ফটিকছড়িতে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাড়িতে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় নিহত হয়েছে মোহাম্মদ পারভেজ নামে আরেক যুবক। পারভেজের বাড়ি ফটিকছড়ির নারায়ণহাট।দূর্ঘটনায়
পারভেজের যুবকের শরীর থেকে হাতের কব্জি আলাদা হয়ে যায়।
জানা যায়, দুর্ঘটনার সাথে সাথে পথচারীরা তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তানিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। এতে আহত হয়েছে আরও দুইজন। পরে আহত পারভেজকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পাঠানো হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চট্টগ্রামমুখী দ্রুতগামী টেম্পু বিবিরহাটগামী সিএনজির সামন থেকে চাপা দিলে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। এই ঘটনায় অঞ্জনা দাস নামে এক নারীও গুরুতর আহত হয়। রেহানা আক্তার তানিয়ার বাড়ি ফটিকছড়ির রাঙ্গামাটিয়া কামরাঙ্গা পাড়ায়। তিনি চবির সমাজতত্ত্ব বিভাগ থেকে সদ্য স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সহপাঠী থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তানিয়ার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়রা সড়কের গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোড় দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় কারন খতিয়ে দেখা হচ্চে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।