তোফাজ্জল হোসেন শিহাব, মুন্সিগঞ্জঃ
মুন্সিগঞ্জে সম্রতি ব্যাপক হারে বেড়েছে মশার উপদ্রব। শীত যেতে না যেতেই মশার এমন উপক্রম। রাতে মশা দিনের বেলাতে ও মশা। যেখানে সেখানে মশার যত্রতত্র অত্যাচারে অতিষ্ট পৌরবাসি।
স্বাভাবিক পর্যায় থেকে অতি মাত্রায় বেড়েছে বিভিন্ন প্রজাতির এই মশা। যার অত্যাচার থেকে যেন রেহাই মিলছে না কোন বয়সি মানুষের।
শহর থেকে শুরু করে গ্রাম অঞ্চলে ও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন মশার উপদ্রব অনেকাংশে বেশি। বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে অফিস, চায়ের দোকান কোথাও মিলছে না নিস্তার।
কার্যকর ভাবে পূর্বপ্রস্তুতি না নেওয়ার কারনে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন পৌরবাসী।
মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা অধিনস্ত সুপারমার্কেট, লঞ্চঘাট, মাঠপাড়া, দেওভোগ, কাচাবাজার, কোর্ট কাচারি, ইসলামপুর, মোল্লাচর, সহ সকল আশপাশ এলাকায় এমনকি অলিতে গলিতে মশার এমন তান্ডবে অনেকটাই অস্ততিতে পৌরবাসি।
এই যন্ত্রনা থেকে রেহাই আদৌ হবে কিনা সে শংকা স্থানীয় জনসাধারনের মধ্যে বিরাজমান। তবে এক জরিপে জানা যায়, মশার উপদ্রব গত বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি। তবে পৌর প্রশাসন বলছে, মশা নিধনে তাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যদিও সেটা অদৃশ্য।
লক্ষ করলে দেখা যায় গত বছরের তুলনায় এ বছর বিভিন্ন প্রজাতির মশা যেমন কিউলেক্স, অ্যানোফিলিস, ও এডিস মশার পরিমান খুব একটা কম নয়। তবে এখনো যে পরিমান রয়েছে তা সহনীয় ও নয়।
এডিস মশার জন্ম হয় বাসা বাড়িতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায়। ঝোপ জঙ্গল, নালা, ড্রেন, স্যাতসেতে স্থানে অ্যানোফিলিস, কিউলেক্স মশার জন্ম। কিউলেক্স মশা সাধারনত ৪ থেকে ৫ কি. মি পর্যন্ত উড়তে পারে।
বিভিন্ন নালা, ড্রেন, ছোট ছোট অকেজো খাল, ঝোপঝাড় সহ মশার উৎপত্তি ও জন্মস্থল ধ্বংস সহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জোরদার করা হলে মশার এমন উপদ্রব অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পৌর সুশিল সমাজ।
মশা মানছে না মশারি ও। তুচ্ছ মশায় নিত্যদিনেই অতিষ্ট মুন্সিগঞ্জ পৌরবাসি। এ ব্যাপারে পৌর কতৃপক্ষের তেমন কোন মাথাব্যথা নেই। তবে মশা নিধনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি পৌরবাসীর।