শাহজাহান সাজু, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। একদিকে যেমন ফলন কম, তেমনই চাষাবাদের খরচের সঙ্গে মিলছে না বিক্রি দামের হিসেব। স্থানীয় বাজার বা পাইকারি বিক্রি করতে গেলে প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ১০ টাকা। জানা গেছে, তাড়াইল ও ইটনা উপজেলায় মিষ্টি কুমড়ার আবাদ বেশি হয়েছে। তার মধ্যে তাড়াইলে ৩০০ হেক্টর ও ইটনায় ২৫০ হেক্টর জমি। চাষাবাদ বেশি হলেও ফলন হয়নি আশানুরূপ। বিস্তীর্ণ এ হাওরে প্রতি বছর এ সময়ে জমির প্রায় ৬০ ভাগ কুমড়া বিক্রি হয়ে যায়।
কিন্তু এ বছর বিক্রি হয়নি। প্রতিদিন হাওরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে নৌকায় করে ইটনা উপজেলার রায়টুটি ইউনিয়নের শান্তিপুর হাটে মিষ্টি কুমড়া নিয়ে আসেন কৃষকেরা। এখান থেকে পাইকারদের মাধ্যমে ঢাকা, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, পাইকগাছা, বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যায়। যেখানে প্রতি হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার্য বেশি মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হতো, সেখানে এ বছর গড়ে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা বিক্রি হয়।