স্পেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাঈল হোসেন রায়হানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে । মামলার পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ইসমাঈল।
জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের এক নেত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে ছাত্রলীগ নেতা ইসমাঈল হোসেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঐ নেত্রীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করেন ইসমাঈল। এ সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের কাছে ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করে এই নেতা। ভিকটিম ১০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করলেও আরও ১০ লক্ষ টাকা দিতে বলা হয়। পরে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন এই ছাত্রলীগ নেত্রী। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
রোববার (২৩ জুন) নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে জেলা জজ আবদুর রহিমের আদালতে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার খবর পেয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অভিযুক্ত ইসমাঈল পিতাসহ লন্ডনে পালিয়ে যায়।
রায়হান নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ইউসুফ আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগে দলীয় পদ-পদবী ব্যবহার করে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাকে হয়রানি ও ভয় দেখিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত ইসমাঈল হোসেন সব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল।