২৪শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

তামিমের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে অভিষেকেই বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

নিজস্ব প্রতিনিধি:

মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত বিপিএলের ফাইনালে গ্যালারিজুড়ে রাজশাহীর সমর্থকদের আধিপত্য—দেখে মনে হচ্ছিল যেন রাজশাহীরই কোনো ভেন্যু। সেই সমর্থনের শক্তি নিয়েই জ্বলে উঠলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফাইনালে রেকর্ড সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে এনে দিলেন বড় পুঁজি, আর তাতেই অভিষেক মৌসুমেই শিরোপা জিতল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

শুক্রবার দ্বাদশ বিপিএলের ফাইনালে **চট্টগ্রাম রয়্যালস**কে ৬৩ রানে হারায় রাজশাহী। টস হেরে আগে ব্যাটিং করে রাজশাহী তোলে ২০ ওভারে ১৭৪ রান। জবাবে চট্টগ্রাম গুটিয়ে যায় ১১১ রানে।

৬২ বলে দুর্দান্ত ১০০ রান করা তামিম হন ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’। এই সেঞ্চুরির সুবাদে বিপিএলে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি শতকের মালিকও হলেন তিনি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ইতিহাসে এটিই প্রথম শিরোপা; যদিও রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি এর আগে ২০১৯–২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

রান তাড়ায় চট্টগ্রামের শুরুটাই নড়বড়ে ছিল। পাওয়ার প্লেতেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা চাপে পড়ে। শ্রীলঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো শুরু ও শেষ—দুই দিকেই আঘাত হেনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন। তিনি ৩ ওভারে মাত্র ৮ রানে নেন ৪ উইকেট। মাঝপথে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ২.১ ওভার বাকি থাকতেই চট্টগ্রামের ইনিংস শেষ হয়ে যায়।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে তামিম ও সাহিবজাদা ফারহানের উদ্বোধনী জুটি শক্ত ভিত গড়ে দেয়। সপ্তম ওভার থেকে তামিম আক্রমণাত্মক রূপ নেন, ছক্কা-চারের বন্যায় এগিয়ে নেন দলকে। ফারহান (৩০ বলে ৩০) আউট হলেও তিন নম্বরে নেমে কেন উইলিয়ামসন দ্রুত রান তোলেন (১৫ বলে ২৪)। শেষ দিকে একাই আক্রমণ ধরে রেখে ১৯তম ওভারে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম, যদিও পরের বলেই আউট হন তিনি।

সব মিলিয়ে, গ্যালারির সমর্থন, তামিমের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি আর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে অভিষেক মৌসুমেই বিপিএলের মুকুট উঠল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মাথায়।

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top