৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

আসন ৭০, পাবনা-৩ঃ হলফনামায় প্রার্থীদের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব

খালিদ হোসেন হৃদয়, ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০, পাবনা-৩ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। প্রার্থীগণ বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় নিজেদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণ:

কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, সুজানগরে কৃষিজমি রয়েছে ১ দশমিক ৬২ একর ও অকৃষি জমি ২৯ শতাংশ, যার আনুমানিক মূল্য ১৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭ শ’ ৯০ টাকা। ঢাকা-উত্তরায় ২৩০০ বর্গফুট ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা। নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা, মোটরযান, স্বর্ণ, ইলেক্ট্রোনিক, আসবাবপত্র, শর্টগান রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৫৩ লাখ ২৩ হাজার ৬৪ টাকা। ব্যবসা থেকে তার বছরে আনুমানিক আয় ২০ লাখ টাকা। তার আনুমানিক বার্ষিক আয় ২ কোটি ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৪ শ’ ২৩ টাকা এবং আনুমানিক বার্ষিক ব্যয় ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার ৪ শ’ ৪১ টাকা।

আলহাজ্ব কে, এম, আনোয়ারুল ইসলাম:

স্বতন্ত্রপ্রার্থী আলহাজ্ব কে, এম, আনোয়ারুল ইসলাম হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তার নামে চাটমোহর, দোলং ও আগশোয়াইল মৌজায় ৩ দশমিক ৩৪ একর কৃষি জমি রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৫১ লাখ ১২ হাজার ৬ শ’ টাকা। চাটমোহরে বসত বাড়ি রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ ৫ হাজার টাকা। ব্যাংক আমানত, নগদ, ব্যবসার পুঁজি, স্বর্ণালংকার ও ইলেক্ট্রোনিক সামগ্রীর মূল্যমান ৫১ লাখ ৭৯ হাজার ২ শ’ ৫৮ টাকা। তিনি কৃষিখাত থেকে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, অন্যান্য দোকান থেকে বছরে ৬৮ হাজার ৩ শ’ ৭ টাকা আয় করে থাকেন। তার আনুমানিক বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৩ শ’ ৭ টাকা এবং আনুমানিক বার্ষিক ব্যয় ৩ লাখ টাকা।

অধ্যাপক মুহাম্মদ আলী আছগার:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুহাম্মদ আলী আছগার হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তার ৭৬ শতাংশ কৃষিজমি রয়েছে, অর্জনকালীন আর্থিক মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। অকৃষি জমির পরিমাণ ৮ শতক, অর্জনকালীন আর্থিক মূল্য ১ লাখ টাকা। আধাপাকা টিনসেড বাড়ি, অধিগ্রহণকালে আর্থিক মূল্য ২ লাখ টাকা। উল্লেখিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪৭ লাখ টাকা। তার কৃষিখাতে বার্ষিক আয় ২০ হাজার টাকা, চাকুরী (শিক্ষাকতা) থেকে বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১ শ’ ৬৪ টাকা, নগদ টাকার পরিমাণ ৫ লাখ, ব্যাংক হিসেবে গচ্ছিত টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৪২ হাজার ৪ শ’ ১৩ টাকা, একটি ১০০ সিসি মোটরসাইকেল আনুমানিক মূল্য ১ লাখ টাকা, ইলেক্ট্রোনিক সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৬২ হাজার ৩ শ’ টাকা, আসবাবপত্রের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৬৯ হাজার ২শ’ টাকা, স্বর্ণালংকার আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা।

আলহাজ্ব মো. হাসানুল ইসলাম: 

গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মো. হাসানুল ইসলাম রাজা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তার নামে চাটমোহরে কৃষিজমির পরিমাণ ২ দশমিক ৫৯ একর, যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। গাজীপুরে অকৃষি জমির পরিমাণ দশমিক ৩২৩২ একর, যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৭২ হাজার ৩ শ’ ৩০ টাকা। পারসোনাল অটো লোন রয়েছে ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪ শ’ ১৪ টাকা। আনুমানিক বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৭১ হাজার ৫ শ’ ৪৫ টাকা এবং আনুমানিক বার্ষিক ব্যয় ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৩ শ’ ৯৩ টাকা।

মীর নাদিম মোহাম্মদ ডাবলু:

জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মীর নাদিম মোহাম্মদ ডাবলু হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে, তিনি পৈত্রিক বাড়িতে বসবাস করেন। তার স্বাক্ষরিত হলফনামায় নিজস্ব কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ নেই। পেশা হিসেবে তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার আনুমানিক বার্ষিক আয় ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং আনুমানিক বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

সরদার আশা পারভেজ:

গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী সরদার আশা পারভেজের হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ নেই। তিনি গৃহ শিক্ষিকা, কুটির শিল্পের মাধ্যমে আয়ের সম্ভাব্য পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন।

আলহাজ্ব মো. আব্দুল খালেক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আব্দুল খালেকের হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ নেই। তার ব্যবসায় গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন।

মো. মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি-বিএসপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরীর হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ নেই। তার ব্যবসা থেকে আয় ৪ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন।

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top