খন্দকার নিরব, ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার সড়কে আবারও মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ভোলা–চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় একটি অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন—শিল্পী রানী দাস (৫৫), তাঁর ভাসুরের ছেলে তুষার দাস (২০)। তাঁরা দু’জনই তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ গ্রামের হারাধন দাসের বাড়ির বাসিন্দা। অপর নিহত ব্যক্তি অটোরিকশা চালক নাসিম (৫৫), তিনি একই উপজেলার আদর্শ গ্রাম এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শিল্পী রানী দাস ও তুষার দাস চরফ্যাশন থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। দ্রুতগতির বাসটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
এ দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতাল ও লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, একই দিনে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা এলাকায় পৃথক এক সড়ক দুর্ঘটনায় সোহাগ নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। অতিরিক্ত গতির কারণে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর বন্ধু সিয়াম আহমেদ গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়, লালমোহনের দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বারবার এমন দুর্ঘটনায় ভোলার সড়কে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।