মোঃ মাঈনুউদ্দিন বাহাদুর, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসনের ছালিয়াকান্দি এলাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়া ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী কতৃক দাবী করা জামায়াত ইসলামির কর্মীর ওপর হামলা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি।
সোমবার দুপুরে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা মুজিবুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কিছুদিন পূর্বে মুরাদনগর উপজেলার নেয়ামতকান্দি এলাকার বাঙ্গারি ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের বাড়িতে জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা মিটিং করতে চাইলে রুহুল আমিন এতে আপত্তি জানায়। এই ক্ষোভ থেকে কয়েকদিন পর জামায়াত কর্মী আবু তাহের বাঙ্গারী ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের উপর হামলাও করে।
গতকাল রবিবার বিকেলে নেয়ামতকান্দি বাজারে জামায়াত কর্মী আবু তাহেরসহ কয়েকজন পুনরায় ব্যবসায়ী রুহুল আমিনের পথরোধ করে এসময় তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এসময় খবর পেয়ে জামায়াত কর্মী আবু তাহেরের বড় ভাই সুমন ছুটে এসে ছোট ভাইকে নিভৃত করে। এসময় সুমন তার ভাই তাহেরকে অটোরিকশায় উঠানোর সময় পিঠে আচর লাগে।
ভাইয়ে ভাইয়ের এই ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিএনপির লোকজন হামালা চালিয়েছে বলে কল্প কাহিনী তৈরী করেছে। মব সৃষ্টির চেষ্টা করে মিছিল করেছে। তাহেরসহ আরো একজনকে অসুস্থ সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু তাদের ভর্তি করা রুগি সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে হাসপাতাল থেকে বাইরে এসে খাওয়া দাওয়া করে আবার চলে যায়। এতেই প্রমানিত হয় যে এই ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো মিথ্যা ও বানোয়াট। এটাকে বিভিন্ন রুপে সাজিয়ে বিএনপির উপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা চলছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।
প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ আপনাদের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ভাইদের এই ধরনের প্রতিহিংসা মূলক ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
আমরা মুরাদনগরে সম্প্রীতির রাজনীতি করি। একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে সকলে মিলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বো।
উল্লেখ্যঃ এই ঘটনায় রবিবার রাতে জামায়াত কর্মী আবু তাহেরের উপর বিএনপির নেতাকর্মীর হামালার বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানান তার ভাই সুমন মিয়া। তিনি আরো জানান তাহেরের শরীরের চোট তাকে গাড়ীতে তোলার সময় লেগেছে। এখানে মারধরের কোন ঘটনা ঘটে নি।