এম. আজগর সালেহী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফলে অধিকাংশ আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের জয়লাভের চিত্র দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলার ১৪টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা এগিয়ে থেকে বিজয় নিশ্চিত করেছেন, আর দুটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীরা।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) আসনে আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ) আসনে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বিজয়ী হয়েছেন।
এছাড়া চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে হুমাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও নগরীর একাংশ) আসনে এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী) আসনে সাঈদ আল নোমান ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় অর্জন করেছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সরোয়ার জামাল নিজাম এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ) আসনে জসীম উদ্দীন আহমেদ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন।
জেলার দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়ার একাংশ ও লোহাগাড়া) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহজাহান চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জয়লাভ করেছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব ফলাফল বেসরকারি হিসেবে প্রাপ্ত এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে।
কিছুদিন আগে স্থানীয় অনলাইন গণমাধ্যম চট্টগ্রাম বার্তা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিক আজগর সালেহীর একটি আসনভিত্তিক জরিপ প্রকাশ করেছিল, যেখানে বিভিন্ন আসনে সম্ভাব্য বিজয়ীদের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল, সদ্য পাওয়া বেসরকারি ফলাফলের সঙ্গে তার প্রায় শতভাগ মিল পাওয়া গেছে। জরিপে যেসব আসনে যে প্রার্থীদের এগিয়ে রাখা হয়েছিল, বাস্তব ফলাফলেও ঠিক সেইভাবেই ভোটের রায় প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। ফলে নির্বাচনের পূর্বাভাস প্রদানে জরিপটির নির্ভুলতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সচেতন মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রশংসা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।