মোঃ ফাহিম,পবিপ্রবি প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বরিশাল ক্যাম্পাসে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গণ-ইফতার মাহফিল ও বিশেষ দোয়া আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, পবিপ্রবি (বরিশাল ক্যাম্পাস) শাখা।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় ইফতারে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এএনএসভিএম অনুষদের বিভিন্ন বর্ষের প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে রমজানের মহত্ব ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বলেন জানান নেতৃবৃন্দ।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির উন্নতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রগতির জন্য দোয়া করা হয়।
এ বিষয়ে ১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী নাবিল বিন হাসান বলেন, “পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই গণ-ইফতার কর্মসূচি কেবল ইফতারেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা এবং আনন্দ ভাগাভাগির এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আমাদের মুগ্ধ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এমন আয়োজন রমজানের শিক্ষা—সংযম, ত্যাগ ও মানবিকতার চর্চায় অনুপ্রেরণা জোগায়।”
ছাত্রশিবির বরিশাল ক্যাম্পাস শাখার এইচআরডি ও প্রকাশনা সম্পাদক তানভীর আহমেদ বলেন, “আমাদের এই গণ-ইফতার কর্মসূচিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থীরা যেন এই সময়টি উপভোগ করতে পারে এবং একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে, সেজন্যই এ আয়োজন করা হয়েছে। পবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবির এর আগে শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”
ছাত্রশিবির বরিশাল ক্যাম্পাস শাখার তত্ত্বাবধায়ক গোলাম রাব্বি বলেন, “আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া, তিনি আমাদের এ আয়োজন করার তাওফিক দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা ও রমজানের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এ গণ-ইফতারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,”আমরা আশা রাখি শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে ইফতার ভাগাভাগি করে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখবে। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নৈতিক উন্নয়ন ও একটি সুন্দর ক্যাম্পাস পরিবেশ গঠনে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো, ইনশাআল্লাহ।”