সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে অদুরে পোঁওতা গ্রামের নিকট মেহেরুন নেছা পারুল (৩০) নামের এক নারী চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে জখম হয়ে গরুতোর আহত হয়েছেন।
রেল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দীঘির ডাঙ্গাপা গ্রামের মৃত ছাবের আহমেদের মেয়ে বলে জানা গাছে। আত্মহত্যা চেষ্টা করেছে।
নাকি তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে এনিয়ে ঘটনাস্থল এলাকায় নানা জনে নানা কথা বলছে। জানাযায়, সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টারদিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন সান্তাহার জংশন স্টেশন থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়ার পর ওই ষ্টেশনের অদুরে পৌঁওতা রেলগেটের উত্তর পাশে পোঁওতা নামক স্থানে ওই নারী যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে হাত-পা ভেঙে মারাত্নক জখম হয়ে গুরুতর আহত হয়ে রেল লাইনের পাশে পরে ছিল।
স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে স্থানীয় রেলওয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে সে ট্রেন থেকে পড়ে গাছে, নাকি আত্মহত্যার জন্য চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়েছেন, নাকি তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা জানা যায় নি।
এব্যাপারে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মেহেরুন নেছা পারুল রোববার সন্ধায় সান্তাহার স্টেশনে এসে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। এসময় রেলওয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় রাখে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার বাড়ি হিলি ডাঙ্গাপাড়া। তাকে ট্রেনে তুলে দিলে বিরামপুর স্টেশন নেমে মায়ের বাড়িতে যাবে।
তার কথা মত পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে তুলে দিয়ে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ট্রেন সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যেতেই পুলিশ সদস্যকে টয়লেটের যাওয়ার কথা বলে ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।
সে বতমান নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত মেহেরুন নেছা পারুলের মায়ের কাছে খবর দেওয়া হয়েছে। তার মা এলে আসল ঘটনা জানা সম্ভব হবে।