১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাহী আদেশে তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিধান বাতিল হচ্ছে

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানোর বিধান বাতিল হচ্ছে। এজন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ- ২০২৪’ এর খসড়া অনুমোদনের জন্য বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) উঠছে । এদিন সকাল ১১টায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হবে।‌ এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর বিশেষ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নয়, সরকারকে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ ও সমন্বয়ের ক্ষমতা দিয়ে ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।

অধ্যাদেশে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয়ে সরকারের ক্ষমতা শিরোনামে নতুন একটি ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অন্যান্য বিধানে যা কিছুই থাকুক না কেন, বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে, জনস্বার্থে, কৃষি, শিল্প, সার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজের চাহিদা অনুযায়ী শক্তি/জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন, পরিবহন ও বিপণনের নিমিত্ত দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার সুবিধার্থে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শক্তি সঞ্চালন, মজুতকরণ, বিপণন, সরবরাহ, বিতরণ ও ভোক্তা পর্যায়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করতে পারবে।

পরে সংসদ বসলে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত হয়। মন্ত্রণালয় থেকে দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছিল গ্যাস, বিদ্যুৎ ও তেলের দাম। বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশের খসড়াটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সংশোধিত অধ্যাদেশে নির্বাহী আদেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিধানটি বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top