নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল কাদের অভ্যুত্থান-পরবর্তী ক্ষমতা বণ্টন নিয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের অসন্তোষের কথা উল্লেখ করে একটি বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট করেছেন। বৃহস্পতিবার এক অপ্রমাণিত ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত পোস্টে তিনি দাবি করেন, শিবির নেতা সাদিক কায়েম চাঁদাবাজির পরিবর্তে “ক্ষমতার যথাযথ হিস্যা” দাবি করেছিলেন।
কাদের তার পোস্টে বিস্তারিত বর্ণনা দেন যে কীভাবে জামায়াত-শিবিরের দুই উচ্চপদস্থ ব্যক্তি – একজন সাবেক শিবির সভাপতি ও এক শিবির নেতার স্ত্রী – সরকারি অফিসে নিজেদের লোকজন বসানোর জন্য লবিং করছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই দুই ব্যক্তি আসিফ-নাহিদের অনুমতি ছাড়াই তাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করছিলেন, যা পরে আসিফ-নাহিদের নজরে এলে তারা এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেন।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, এই ঘটনার পর সাদিক কায়েম আব্দুল কাদেরের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় অভিযোগ করেন যে অভ্যুত্থানে শিবিরের অবদানের স্বীকৃতি না দিয়ে তাদের সাথে “বিশ্বাসঘাতকতা” করা হচ্ছে। কাদের লিখেছেন, “সাদিক ভাইয়ের একটাই অভিযোগ ছিল – ‘মাহফুজ-নাহিদ-আসিফরা এখন তাদের কথা শুনছে না, তারা কথা রাখেনি!'”
এই পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যখন দেশ জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রকাশ্য বক্তব্য অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান ক্ষমতা সংঘাতের ইঙ্গিত বহন করে।