ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) পাঠানো হয়েছে। একই কারণে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও পটুয়াখালীর পাঁচ ওসিকে প্রত্যাহারের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার বা বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে ভোটের মাঠে নামতে পারবেন না। ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুরের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা নির্বাচন অফিসে অভিযোগ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন এমপি নিক্সন।
সোমবার এমপি নিক্সনের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউল হক খান শোকজ নোটিস জারি করেন। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে এই সংসদ সদস্যকে।
কারণ দর্শানো নোটিসে বলা হয়েছে, সদরপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের শাহিদুল ইসলামের বিপক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন নিক্সন, যার অভিও-ভিডিও এবং বক্তব্য গণমাধ্যমেও এসেছে। ভাঙা উপজেলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের মোখলেছুর রহমান তার এলাকার এমপি নিক্সনের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে কাগজপত্র সংযুক্ত করে জেলা নির্বাচন অফিসে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন, যা একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
নোটিসে আরও বলা হয়েছে, এমপি নিক্সন আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। কেন তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তার সুনির্দিষ্ট লিখিত ব্যাখ্যা ২৮ মে বিকেল ৪টার মধ্যে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নোটিসের ব্যাখ্যা না দিলে এ সংসদ সদস্যের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।