রবিউল ইসলাম বাবুল, রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হঠাৎ শীতের তীব্রতা বেড়ে তাপমাত্রা কমায় নাকাল জন-জীবন । হঠাৎ পঞ্চগড়ে শীতের প্রকোপ দিনদিন বাড়ছে।
ডিসেম্বরের শুরুতেই হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশা তেঁতুলিয়াসহ পুরো পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি তীব্র হওযায় সাধারণ ও শ্রমজিবী মানুষেরা দৈনন্দিন কাজে সমস্যায় পরেছে।
এদিকে টানা কয়েকদিন পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া ও আশে পাঁশের এলাকাগুরোতে তাপমাত্র ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ওঠানামার করছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
মঙ্গলবার সকালে বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৭৯ শতাংশ, যা শীতের প্রভাবকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিযেছে আবহাওয়ারবীদ । এদিকে সকাল ৭টা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া সারা এলাকা কুয়াশার ঘন চাদরে ঘেরা ছিল। দূরের দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কের রাস্তায় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সতর্কভাবে চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে তেঁতুলিয়া–পঞ্চগড় সড়কে যান চলাচলের গতি ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক ধীর।
এর আগের দিন সোমবার (১ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি। তার আগের কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ২ থেকে ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করেছে।
দিনে রোদ থাকলেও ভোর ও সকালের ঠান্ডা বাতাস শীতকে আরো প্রকট করে তুলছে।
তেঁতুলীয়া এলাকার এক রিক্স চালক বলেন, ভোরে রাস্তায় নামলেই হাত–পা ঠান্ডায় অবশ হয়ে আসে। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না, হেডলাইট জ্বালিয়ে খুব ধীরে চালাতে হয়। শীতের কারণে আগের মতো যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না, আয় কমে গেছে।
এবিষযে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় দৈনিক আমার বাংলাদেশ কে বলেন, তেঁতুলিয়ায় দিনদিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির ঘরে থাকলেও, আজ তা নীচে নেমে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে সেলসিডাসে পরিণত হয়েছে । আবহাওয়াবীদদের ধারণা যদি ডিসেম্বরের শুরুতেই এভাবে শীতের ত্রিব্রতা বাড়তে থাকে তাহলে সামনে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন তারা।