মোঃ শহিদুল ইসলাম পিয়ারুল,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের ধরগাঁও বিলপাড় এলাকায় কৃষকদের ব্যাক্তি মালিকানা ফসলি জমি নষ্ট করে রাতের আধারে অবৈধভাবে খাল খননের অভিযোগ উঠেছে।
সরকারি কোনো অনুমোদন কিংবা ভূমি অধিগ্রহণ ছাড়াই ব্যাক্তি উদ্যোগে খাল খননের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী। এতে খাল খননকারী ও ভুক্তেভোগী কৃষকদের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা তাদের ফসলি জমি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী কৃষকরা বলেন, এখানে পূর্বে কোনো খালের অস্তিত্ব ছিল না।
অথচ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কৃষকদের ব্যক্তিমালিকানা জমির ওপর দিয়ে জোরপূর্বক খাল খনন করা হচ্ছে। সরজমিনে দেখা যায়, কৃষকের ফসলি মাঠের বুক চিরে ১২ ফুট প্রস্থের খাল খননের কাজ করা হচ্ছে।
কিন্তু সেখানে পূর্বের থাকা কোন খালের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শুধু কৃষকের ফসলি মাঠ রয়েছে। ইউপি সদস্য মাহবুব আলম ও তার সহযোগীরা রাতের আঁধারে ফসলি জমি নষ্ট করে এই খনন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তুলে ধরেন।
ভুক্তভোগী কৃষক জাসিম উদ্দিন ও ফাইজুল ইসলাম বলেন, এই অবৈধ খাল খননের ফলে দুই গ্রামের শত শত কৃষকের কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষকদের যাতায়াত ও চাষাবাদে নানা জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজ উদ্দিন, নবী হোসেন ও রুহুল আমিন জানান, ব্যক্তি স্বার্থে কৃষকের রুটিরুজি বন্ধ করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে কৃষকদের ব্যক্তিমালিকানা জমি সহ তাদের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
ইউপি সদস্য মাহাবুব আলমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর ব্যবহৃত সেলফোনটি নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত বলেন, “ এ নিয়ে কৃষকদের একটি অভিযোগ পেয়েছি।
সরকারিভাবে উপজেলা পরিষদ বা পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে খাল খননের কোন অনুমোদন বা কোন প্রকল্প দেওয়া হয়নি। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে খালখননকারী ও ভুক্তভোগী কৃষকদের নিয়ে একটি শোনানীর দিন ধার্য্য করা হয়েছে।