মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ প্রকৃতির নিয়মে ঋতুর পালাবদল ঘটে। এদেশে ছয়টি ঋতু হচ্ছে গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল,শরৎকাল, হেমন্তকাল, শীত ও বসন্তকাল। শীতকালের কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শীতে দরিদ্র জনগোষ্ঠী-অধ্যুষিত অঞ্চলে মানুষ প্রকৃতির কাছে অসহায় হয়ে পরে। তাই শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। নিঃস্বার্থভাবে শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা।
সমাজের সংগতিসম্পন্ন ও সচ্ছল মানুষের ঘরে বছর পরিক্রমায় শীতকাল ঋতু হিসেবে আনন্দ ও খুশির বার্তাবহ হলেও দেশের বৃহত্তর জনজীবনে শীত নৈরাশ্য ও বেদনার ধূসর বার্তাবাহক মাত্র। হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে শৈত্যপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য অসহায় দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন অনেক শীতবস্ত্র আর পঙ্গু মানুষের চলাচলের জন্য হুইলচেয়ার।
এই চিন্তাধারা মাথায় নিয়ে প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পিষ্ঠপোষক সাবেক সেনা কর্মকর্তা রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাঝাইল ইউনিয়নের ভাতসালা গ্রামের কৃতিসন্তান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) এসএম মতিউর রহমান জুয়েল এর আর্থিক সহায়তায় বালিয়াকান্দি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল, জ্যাকেট, মাফলার,চাদর ও শিশু শীতবস্ত্রসহ বহরপুর ইউনিয়নের কুবদি গ্রামের পঙ্গু লোকমান হোসেনের দেওয়া হয় একটি হুইলচেয়ার।
এসময় উপজেলার কুবদী, খাটা কুবদী, বেতাঙ্গা, চরআড়কান্দীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেয়া হয়।
প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার উদ্দ্যোগে প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) এসএম মতিউর রহমান জুয়েল এর পক্ষে শীতার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাশ্রমে মানুষের হাতে পথচারীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন, প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার আজীবন সদস্য সার্জেন্ট (অব) মোঃ ওবায়দুর রহমান, কর্পোরাল (অব) মোঃ মমিন শেখ, হাবিবুর রহমান বাচ্চু, আশিকুর রহমান হৃদয়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ মনিরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ আনিচ শেখ, আনিচুর রহমান সদ্য সৌদি প্রবাসী মোঃ রুবেল মোল্লা সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। তারা সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান সাধ্যমত অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করার।