মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন-অর-রশীদ হারুন। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী মোঃ হারুন অর রশীদ। ঘরে বসে নেই তার সহধর্মিণী মিসেস সেলিনা ইয়াসমিন।
নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি স্বামীর পক্ষে প্রতিটি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি।
রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির হারুন-অর-রশীদ, স্বতন্ত্র সাবেক এমপি মোঃ নাসিরুল হক সাবু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, জাতীয় পার্টির মোঃ সফিউল আজম খান, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদ শেখ, এনসিপির জামিল হিযাজী, খেলাফত মজলিসের কাজী মিনহাজুল আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজবাড়ী-২ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৯ জন, মহিলা ২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ৫ জন এবং ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৯৮টি। এ আসনের বালিয়াকান্দিতে ১৭টি, কালুখালীতে ১৭টি ও পাংশায় ২৭টি নতুন ভোট কেন্দ্র করা হয়েছে।
গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে পাংশা শহরে ও গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে কালুখালী উপজেলার রেলস্টেশন ও বিভিন্ন গ্রামের ভোটারদের সঙ্গে মহিলা দল নেত্রীদের সঙ্গে নিয়ে মতবিনিময় করেন মোঃ হারুন-অর-রশীদের সহধর্মিণী সেলিনা ইয়াসমিন। সেখানে তিনি ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। তিনি পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রত্যেকটি ইউনিয়ন, পাড়া-মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে সাড়াও পাচ্ছেন।
সরজমিন ঘুরে জানা যায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ঘিরে পাড়া-মহল্লায় এখন চলছে ভোটের হিসাব। যোগ্য, বিনয়ী, মিষ্ঠভাষী, জনতার সঙ্গে একাত্ততা থাকাসহ নানা ধরনের বিশ্লেষণ চলছে। প্রার্থী তাদের নেতাকর্মী ও পরিবারের লোকজন ছুটে বেড়াচ্ছেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। ভোটারদের কাছে বিএনপির প্রার্থী মোঃ হারুন-অর-রশীদের সহধর্মিণী মিসেস সেলিনা ইয়াসমিন উঠান বৈঠক গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
বালিয়াকান্দি এলাকার তরুণ ভোটার আলপনা আক্তার, হাফিজা বেগম, সীমা হক বলেন, এবারই আমি প্রথম ভোট দেব। যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে ভোট দেব, যিনি উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, আমরা যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারব, যাকে দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করতে দেখেছি, নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এমন প্রার্থীকেই বেছে নেব।