মো. সাইফুল ইসলাম, নীলফামারী প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে নীলফামারী জেলায় চারজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২৭ জন।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যাহারকৃত প্রার্থীরা হলেন—নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিশের মো. সাদ্দাম হোসেন। অপরদিকে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে এলডিপির নূর মোহাম্মদ এবং জাতীয় পার্টির মো. জয়নাল আবেদীন (দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাহার) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার পরবর্তী অবস্থায় নীলফামারী-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন আটজন। তারা হলেন—বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুস সাত্তার, জাতীয় পার্টির তছলিম উদ্দিন, ন্যাপের জেবেল রহমান গণি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল, জেপির মখদুম আজম মাশরাফী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর রফিকুল ইসলাম এবং বিএনএফের সিরাজুল ইসলাম।
নীলফামারী-২ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, জামায়াতে ইসলামীর মো. আলফারুক আব্দুল লতিফ, খেলাফত মজলিশের মো. সারোয়ারুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হাসিবুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজুল ইসলাম এবং বিএনএফের মো. সিরাজুল ইসলাম।
নীলফামারী-৩ আসনে চারজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন—বিএনপির সৈয়দ আলী, জামায়াতের মো. ওবায়দুল্লাহ সালাফী, জাতীয় পার্টির রোহান চৌধুরী এবং ইসলামী আন্দোলনের আমজাদ হোসেন (সরকার)।
সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে। এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির মো. আব্দুল গফুল সরকার, জামায়াতের মো. আব্দুল মুনতাকিম, জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম, ইসলামী আন্দোলনের মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর মো. মাইদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন এবং চার স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াদ আরফান সরকার, এস. এম. মামুনুর রশিদ ও জোয়াদুর রহমান হীরা।
মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ায় নীলফামারীর চারটি আসনেই এখন নির্বাচনী প্রচারণা আরও গতিশীল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।