৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি-লুটপাট-ধর্ষণ কঠোর হাতে দমন করা হবে — অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ

কাজী রিয়াজ, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণসহ সকল প্রকার অন্যায়-অবিচার কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় তেতুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আহম্মদ উল্লাহ’র সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একটি দলের পোষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী এলাকায় ব্যাপক অত্যাচার চালিয়েছে। মাছের ঘের, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

তিনি দাবি করেন, এসব অন্যায়ের সাথে জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা-কর্মী জড়িত ছিল না। বরং দলীয় কর্মীরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও উপাসনালয় রক্ষায় পাহারা দিয়েছে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করেছে।

ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে আমি এক টাকাও হারাম খাবো না। নিজে দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না। সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।” তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। দল ক্ষমতায় গেলে কোনো মিথ্যা মামলা হবে না এবং নিরপরাধ মানুষের হয়রানি বন্ধ করা হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কয়েকটি মিথ্যা মামলায় সাড়ে পাঁচ শতাধিক মানুষ কারাবন্দি রয়েছেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডাঃ মাহমুদুল হক।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ সুজায়েত আলী, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা উসমান গণি, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ আফতাব উদ্দীন, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, ঢাকা উত্তর যুব বিভাগের উপদেষ্টা কাজী মাহফুজুর রহমান, ডঃ তৈয়েবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সভায় বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top