গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি:
কালিহাতীর আকাশে এখন উড়ছে এক অদ্ভুত উৎসবের ধোঁয়া—ধুলোমাখা গ্রামের পথ থেকে শুরু করে হাটের চায়ের কাপে, পাড়ার মহল্লার মোড়ে মোড়ে, সবখানে একই নাম, একই প্রতীক: মোটরসাইকেল! আর এই প্রতীকের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা,ও দেশপ্রেমিক, জনগণের আস্থার জ্বলন্ত প্রদীপ: ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুল হালিম মিঞা।
তিনি শুধু ভোট চাইছেন না—তিনি জনতার হৃদয় জয় করছেন। বাড়ি বাড়ি ঘুরে, দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে, চোখে চোখ রেখে কথা বলছেন। কথায় নেই ফাঁকা আশ্বাস—আছে বাস্তবের ছোঁয়া:
আধুনিক কালিহাতি গড়ার স্বপ্ন,
শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে প্রতিটি শিশু-কিশোর, ইনশাআল্লাহ।
বেকারত্বের অভিশাপ মুছে ফেলা,সহ
যমুনার ভাঙন রোধ,
রাস্তা-ঘাট-ব্রিজ, নির্মাণ, এলেঙ্গা মহাসড় থেকে শুরু করে ময়মনসিংহ জামালপুরের রাস্তাটি চার লাইনে উন্নত করা কালিহাতী থেকে বড়চওনা রাস্তা টি ডাবল লেন করা এবং কালিহাতীতে একটি ইপিজেড করে, বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করায় মূল লক্ষ্য
একজন ইঞ্জিনিয়ারের মন, মুক্তিযোদ্ধার আত্মা, আর জনসেবকের হৃদয়—এই তিনের মিলনে তৈরি হয়েছে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি। ২০১৮-এ বিএনপির মনোনয়ন পেয়েও দলের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন—এই ত্যাগের গল্প আজও কালিহাতীর বুকে জ্বলজ্বল করে। দল বদলালেও মানুষের ভালোবাসা বদলায়নি—বরং আরও গভীর হয়েছে।
আজ গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, গৃহিণী—সবাই বলছে এক কথা:
“হালিম মিয়া এলে কালিহাতি বদলে যাবে।”
মোটরসাইকেলের গর্জন এখন শুধু শব্দ নয়—এটা পরিবর্তনের স্লোগান, আশার ধ্বনি, জয়ের অঙ্গীকার। প্রতিটি রাস্তায়, প্রতিটি মিছিলে, প্রতিটি হাতে উড়ছে সেই প্রতীক—যেন পুরো কালিহাতী একসঙ্গে ছুটছে স্বপ্নের দিকে।
এই নির্বাচন আর শুধু ভোটের লড়াই নয়—এটা আস্থার উৎসব, ত্যাগের মহিমা, উন্নয়নের মিছিল। আর এই মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিয়া—জনতার নেশা, কালিহাতীর আলো।
জয় হোক মোটরসাইকেলের! জয় হোক জনগণের!!
কালিহাতীবাসী বিশ্বাস করে—এবার জয় অনিবার্য।