মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
একটি প্রতিষ্ঠান স্বনির্ভর হয়ে ওঠে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানে কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করে। প্রতিষ্ঠান প্রধান যদি হয় সৎ, নির্ভিক, উন্নয়নমূখী, শাসন কর্তা, মানবিকতার প্রতীক, তাহলেই সেই প্রতিষ্ঠান সুন্দর, স্বাভাবিক, সাবলীল ভাবে চলতে পারে। প্রতিটি গুন যাঁর মধ্যে বিরাজমান তাকে নিয়েই আজকের এই প্রতিবেদন।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান এই উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কালভাট, খাল খনন, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, মাদক মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কৃষি উন্নয়ন, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবই করে যাচ্ছেন তিনি।
তাঁর উদ্যোগে চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উপজেলার অবকাঠামো উন্নয়ন জনসেবার মনোন্নয়ন এবং নাগরিক উন্নয়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসনিক কার্যক্রম দৃশ্যমান অগ্রগতি চোখে পরার মতো। উপজেলার বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, সরকারি ভবনের সংস্কার ও কৃষি সম্প্রসারণ, প্রাণী সম্পদ বিভাগ, চিকিৎসা সেবা বিভাগসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি নিজে সরাসরিভাবে তদারকি করেন।
স্থানীয়রা জানান, উন্নয়ন কাজের মান বজায় রাখতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিয়মিত পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের
প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। ফলে কাজের গতি যেমন বেড়েছে তেমনি স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হয়েছে। শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই নয়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরন এবং মনোযোগ দিয়ে শোনেন সাধারণ মানুষের কথা এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর বিনয়ী ব্যবহার দায়িত্বশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনকে আরও গণমুখী করে তুলেছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মনে করেন, তার দক্ষ নেতৃত্ব ও সৎ প্রচেষ্টায় বালিয়াকান্দি উপজেলায় উন্নয়নের ধারা আরও এগিয়ে যাবে। উপজেলা জুড়ে উন্নয়ন ও সুশাসনের ইতিবাচক এই পরিবর্তনে সাধারণ মানুষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও তাঁর এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিয়ে কথা হয়েছিল ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নের বড়ভেল্লাবাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ শেখ, সামছুল আলম, নাসিরুদ্দিন, সঞ্জয় কুমার সিকদার, রবিউল ইসলামের সাথে। তারা বলেন, দীর্ঘদিন আমাদের হড়াই ব্রীজ থেকে চন্দনী পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা। বৃষ্টির মৌসুমে এই সড়কে চলাচল একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়তে হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান এসে দেখে গেছেন। তিনি বার বার খোঁজ নিচ্ছেন। আমরা আশাবাদী তিনি এখানে থাকলে অবশ্যই আমাদের সমস্যার সমাধান হবে। তারা আরও বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান ছুটে বেড়ান গ্রাম থেকে গ্রামে। তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে সামাজিক সকল কাজের খোঁজ রাখেন। এই মানবিক অফিসারের জন্য শুভকামনা জ্ঞাপন করছি।