রবিউল ইসলাম বাবুল, রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ
দৌলতদিয়ার সেই বিভীষিকাময় মুহূর্ত—পানির গভীরে তলিয়ে যাওয়া একটি বাস, চারদিকে আতঙ্ক, নিস্তব্ধতার ভেতরে শুধু বাঁচার আকুতি। সেই মৃত্যুর অন্ধকারেও এক মা শেষ শক্তিটুকু দিয়ে লড়ছিলেন… নিজের জন্য নয়, তার সন্তানের জন্য।
পানির নিচে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, শরীর হার মানতে চাইছে—তবুও তিনি থামেননি। দুই হাত দিয়ে সন্তানের শরীরটাকে উপরে ঠেলে দিয়েছেন বারবার… যেন আকাশের দিকে তুলে দিচ্ছেন তার সমস্ত ভালোবাসা। সন্তানের ছোট্ট হাত তখনো মায়ের হাত শক্ত করে ধরে ছিল… কিন্তু মা জানতেন, তাকে ছাড়তেই হবে।
শেষবারের মতো চোখে চোখ রেখে হয়তো তিনি বলেছিলেন—“তুই বাঁচ, আমার আর কিছু লাগবে না…”
সন্তানটি বেঁচে গেছে। কিন্তু মা… আর ফিরে আসেননি।
একজন মা এভাবেই ইতিহাস লিখে যান—নীরবে, নিঃস্বার্থভাবে, নিজের জীবন দিয়ে সন্তানের জীবন কিনে দিয়ে।
আজ এই পৃথিবীতে আরেকটি শিশু বেঁচে আছে… কিন্তু তার আকাশটা চিরদিনের মতো শূন্য হয়ে গেছে।
আরেকজন মা চলে গেলেন—একটি গল্প রেখে, যা কোনো শব্দে সম্পূর্ণ বলা যায় না।
মায়ের ভালোবাসা কখনো ডুবে না… সে শুধু নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অন্যকে ভাসিয়ে রাখে। 🖤
লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে শেয়ার করে দিন। ইতিহাসে সাক্ষী হয়ে থাকবে আজীবন।