বাজেটে কোন পণ্যের দাম কমতে পারে তার ওপর সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ হবে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। এবার নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে কর কমানো হয়েছে বেশকিছু পণ্যের। গুঁড়োদুধ, দেশে তৈরি মোটরসাইকেল, ল্যাপটপসহ অনেক পণ্যের দাম কমতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
কার্পেট তৈরির প্রধান কাঁচামাল পলিপ্রোপাইলিন ইয়ার্ন আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে দেশে তৈরি কার্পেটের দাম কমতে পারে। অ্যাভিয়েশনখাতের উত্তরণে ইঞ্জিন-প্রপেলর আমদানি পর্যায়ে কমতে পারে মূসক। ফলে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণে কমতে পারে খরচ। দেশে তৈরি মোটরসাইকেলের সিকেডি ইঞ্জিনের পার্টসের আমদানি শুল্ক কমছে। এতে দেশে তৈরি মোটরসাইকেলের দাম কমতে পারে।
কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোয় দাম কমতে পারে ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত উপকরণ ডায়লেসিস ফিল্টারের। সার্কিটের ওপর আমদানি শুল্ক ৯ শতাংশ কমতে পারে। এতে কমতে পারে ডায়ালাইসিসের খরচ। স্পাইনাল সিরিঞ্জ ও ডেঙ্গু কিটে রেয়াতি সুবিধা থাকায় এ পণ্য দুটির দামও কমতে পারে।
বাজেটে প্যাকেটজাত গুঁড়োদুধ আমদানিতে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে বাজারে গুঁড়োদুধের দাম কমতে পারে। এছাড়া চকলেট আমদানিতে শুল্ক ২৫ শতাংশ কমছে। দাম কমতে পারে চকোলেটের। ল্যাপটপ আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এতে সবমিলিয়ে পণ্যটিতে ৩১ শতাংশের পরিবর্তে ২০ দশমিক ৫০ শুল্ক-কর দিতে হবে। ফলে কমতে পারে ল্যাপটপের দাম।
রড, বার ও অ্যাঙ্গেল তৈরির কাঁচামাল ম্যাঙ্গানিজ আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। এতে লোহাজাতীয় পণ্যের দাম কমতে পারে। বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত সুইচ-সকেটের দাম কমার সম্ভাবনা আছে। কারণ দেশে উৎপাদিত সুইচ-সকেট, হোল্ডার উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। ইলেকট্রিক মোটর উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে ইলেকট্রিক মোটরের দাম কমবে।