কালীগঞ্জ সীমান্তে সোনা চোরাচালানে দিতে হতো ‘আনার ট্যাক্স’

আনোয়ারুল আজীম আনার সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা সংসদ সদস্য আশির দশকে সীমান্তে কড়াকড়ি ছিল কম খুব সহজেই ভারত থেকে চোরাই পণ্য আনা যেত সহজলভ্য হওয়ায় ছাত্রজীবন থেকেই ভারত থেকে চোরাইপথে ভিসিআর এনে খুলনাঞ্চলে বিক্রি করতেন সে সময় আনারের ভিসিআর ব্যবসা ছিল রমরমা

এরপর ভারতীয় শাড়ি ফেনসিডিল চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে চোরাকারবারিদের সঙ্গেমজবুত যোগাযোগেরফলে আনার যুক্ত হন সোনা চোরাচালানে। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। হয়ে যান লাইনের গডফাদার। শেষ দিকে তার এলাকার সীমান্ত ব্যবহার করে কেউ চোরাচালান করলেও দিতে হতোব্যক্তিগত ট্যাক্স খুব কম সময়ে প্রভাবশালী বনে যাওয়া আনার চোরচালানের টাকা দিয়ে বাগিয়ে নেন স্থানীয় রাজনৈতিক পদপদবি, পরবর্তীসময়ে হন সংসদ সদস্য

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সোনা চোরাচালান চক্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন এমপি আনার কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এতটাই লোভী হয়ে পড়েছিলেন যে, তার এলাকা দিয়ে চোরাচালান হওয়া প্রতিটি স্বর্ণের বারের জন্য ব্যক্তিগত ট্যাক্স নেওয়া শুরু করেন তিনি স্বাভাবিকভাবেই তার সিদ্ধান্ত চোরাচালান চক্রের অন্য সদস্যদের ক্ষুব্ধ করে এবং শেষ পর্যন্ত তারা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে বলে ধারণা

স্থানীয় পুলিশ, বিজিবি অন্য সূত্রগুলো বলছে, মহেশপুরের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ৫৭ কিলোমিটারের। এর মধ্যে ১১ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতারবিহীন। এই সীমান্ত দিয়ে চোলাচালান হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এক্ষেত্রে পথ বা রুট হিসেবে কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর জীবননগরকে ব্যবহার করা হয়। আর কালীগঞ্জ উপজেলাটি চোরাচালানকারিদের জন্য যাতায়াতের অন্যতম পথ

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top