আরাফাত হোসাইন, বাকৃবি প্রতিনিধি:
বিশ্ব পোষা প্রাণী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য ‘ক্যাট শো’ দর্শনার্থীদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য এক আয়োজন। তবে এ আয়োজনের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন একদল স্বেচ্ছাসেবক, যাদের নিরলস পরিশ্রম ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে ‘পেট লাভার্স অফ বিএইউ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবকরা সকাল থেকেই দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুতকরণ, অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন, অতিথি অভ্যর্থনা, প্রতিযোগিতা পরিচালনা এবং বিড়ালগুলোর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তারা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’, প্রদর্শনী ও র্যাম্প শোতে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অসংখ্য বিড়াল অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এবং সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কারণে ব্যবস্থাপনায় নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। তবুও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
এছাড়াও বিড়ালগুলোর জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যা বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। একইসঙ্গে নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য টি-শার্ট, নেক বেল্ট ও স্ন্যাকস বিতরণ কার্যক্রমও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল র্যাম্প শো ও ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা শেষে ‘ক্যাট অফ দ্য শো’ ঘোষণা এবং র্যাফেল ড্র কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে রফিক বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং প্রাণিকল্যাণে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রমে যুক্ত থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
আরেক স্বেচ্ছাসেবক জাকি মোহাম্মদ প্রমিজ জানান, কঠোর পরিশ্রম, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলগত সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি বড় পরিসরের অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে আমরা সন্তুষ্ট ও গর্বিত। আমরা এই অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি।