কৈমারী ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জামানতের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ!

মোঃ বাদশা প্রমানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ১১ নং কৈমারী মডেল ইউনিয়নে ইউপি হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য প্রদত্ত জামানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ তসলিম উদ্দিন (বর্তমানে পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত)ও সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-১ পেয়ারী বেগম বর্তমান ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সংরক্ষিত সদস্য -এর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী মোঃ জাকিরুল ইসলাম, পিতা—মোঃ সাইদুল ইসলাম, গ্রাম—দক্ষিণ তিতপাড়া, ডাকঘর—ডিমলা, উপজেলা—ডিমলা, জেলা—নীলফামারী, অভিযোগে জানান— ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল তারিখে তিনি কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়কারীর দায়িত্ব পাওয়ার লক্ষ্যে ফেরতযোগ্য জামানত বাবদ ৮০,০০০ (আশি হাজার) টাকা সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-১ পেয়ারী বেগম বর্তমান ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা সংরক্ষিত সদস্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা তসলিম উদ্দিনের হাতে স্ট্যাম্পে উল্লিখিতভাবে জমা দেন।

তবে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার পর কাজ শুরু করার কথা থাকলেও কোনো কাজ শুরু হয়নি। একাধিকবার মৌখিক অনুরোধ ও যোগাযোগ সত্ত্বেও তারা টাকা ফেরত দেননি। বরং ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দুজনই নানা অজুহাতে (বেতন, এনজিও ঋণ, প্রজেক্টের টাকা ইত্যাদি) দেখিয়ে মাসের পর মাস সময়ক্ষেপণ করছেন।

এ ঘটনায় জাকিরুল ইসলাম বলেন— আমি বারবার টাকা ফেরত চেয়েছি, কিন্তু তারা আজ নয় কাল বলে দীর্ঘ ১ বছর ধরে ঘুরাচ্ছেন। এখন স্পষ্ট মনে হচ্ছে, এটা প্রশাসনিক দুর্নীতিরই এক রূপ।

অভিযোগকারী বিষয়টি নিয়ে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-এর নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তপূর্বক টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, ইউনিয়নের দায়িত্বশীল পদে থেকে সাধারণ মানুষের অর্থ আটকে রাখা প্রশাসনিক দুর্নীতির শামিল। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বলেন—অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফেসবুকে আমরা

মন্তব্য করুন

guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

সর্বাাধিক পঠিত নিউজ

Scroll to Top