মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে চত্রা নদী অপরিকল্পিতভাবে খনন করায় পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীর দুই পাশে পাকা সড়কে ধস দেখা দিয়েছে। সড়কের মাঝখান থেকে ধসের নদীতে চলে গেছে। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকরা।
বালিয়াকান্দি-পাংশা সড়কের বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খাটিয়াগাড়া এলাকায় রবিবার সকালে দেখা যায়, এ পাকা সড়কটি ধসে চত্রা নদীতে চলে যাচ্ছে। প্রায় ৪০০ ফুট এলাকায় এ ধসের কারণে ভারী যানবাহন চলাচল করা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদীর অপরপাশে চরখিকমলা, চরটাকাপোড়া এলাকার পাকা সড়ক মাঝামাঝি থেকে ধসে নদীতে চলে গেছে। এতে নারুয়া বাজার- লাঙ্গলবাঁধ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। খাটিয়াগাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী, সাহেব আলী, বশির হোসেন বলেন, চত্রা নদী অপরিকল্পিতভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ড খনন করে। নদী থেকে বেশি পরিমাণ মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করায় গভীর হয়। এ কারণে নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বালিয়াকান্দি-পাংশা সড়কটি ধসে নদীতে চলে যাচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন। না হলে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে।
চর ঘিকমলা গ্রামের দুলাল মন্ডল, নাজিমদ্দিন মন্ডল, রব মন্ডল বলেন, নারুয়া বাজার থেকে লাঙ্গলবাঁধ সড়কটির চরঘিকমলা, চরটাকাপোড়া এলাকার পাকা অংশ নদীতে সম্পূর্ণ ধসে গেছে। এতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ভাঙন এলাকায় থাকা ব্রিজটিও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত খননের কারণে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এলজিইডির করা সড়ক দুটি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের চলাচলে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
রাজবাড়ী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইউসুফ হোসেন বলেন, বালিয়াকান্দির নারুয়া ইউনিয়নের চরঘিকমলা, খাটিয়াগাড়া এলাকায় চত্রা নদীর পাশে দুটি সড়ক নদীতে বিলীন হয়েছে। আমরা সরেজমিন ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছি। দ্রুত সড়ক সংস্কার করার পদক্ষেপ নেওয়া