মোঃ হাচান আল মামুন দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
মানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে ফাউন্ডেশনটির উদ্যোগে পার্বত্য জেলার চারটি উপজেলায় পশু কুরবানী সম্পন্ন করে এতিম, অসহায়, হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে কুরবানীর গোশত বিতরণ করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, এবারের ঈদে ২২টি এতিমখানায় গরু, ২৪টি এতিমখানায় খাসি এবং ৪টি এতিমখানায় ৪টি ভেড়া কুরবানী দেওয়া হয়। পাশাপাশি কয়েকটি বৃদ্ধাশ্রমেও কুরবানীর গোশত বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শত শত এতিম শিশু, কুরআনের হাফেজ, বৃদ্ধ ও নিম্নআয়ের পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়েছেন।
দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে এ মহতী কার্যক্রম বাস্তবায়নে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সভাপতি শামসুল আলম খান মুরাদের একান্ত প্রচেষ্টা, সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং দাতা-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর মানবিক নেতৃত্বে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় কুরবানীর গোশত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে আবাম ফাউন্ডেশন এর খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি রবিউল বিন মোস্তফা বলেন, আবাম ফাউন্ডেশনের সভাপতি শামসুল আলম খান মুরাদ সাহেবের অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং সকল দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় পার্বত্য অঞ্চলের এতিম, অসহায়, হতদরিদ্র ও বৃদ্ধ মানুষের মাঝে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও কুরবানীর কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রাখি।
তিনি এ মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদানকারী সকল দাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিতে আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এ উদ্যোগ মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ফাউন্ডেশনটি মানবসেবার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।