মোঃ বাদশা প্রামানিক নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
প্রালথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্যসাধারণ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পর্যায়ে নীলফামারীর শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্বাচিত হয়েছেন ডিমলা উপজেলার সফল ও দূরদর্শী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান। ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬’ উদযাপনের অংশ হিসেবে তাকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
সম্প্রতি নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। উক্ত তালিকার ১৪ নম্বর ক্রমিকে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। মেধা ও যোগ্যতার এই অনন্য মূল্যায়নে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ রবিউল ইসলাম এবং কমিটির সভাপতি ও নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষার ভৌত অবকাঠামোর আমূল পরিবর্তন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার শূন্যে নামিয়ে আনা, আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি এবং নানামুখী শিক্ষাবান্ধব ও উদ্ভাবনী (Innovative) পদক্ষেপ বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ ইমরানুজ্জামান। মূলত তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার এই নিষ্ঠা ও অনন্য নেতৃত্বই তাকে জেলার শ্রেষ্ঠত্বের আসনে আসীন করেছে।
অভিনন্দনের জোয়ার ও প্রত্যাশা:
এদিকে দূরদর্শী এই কর্মকর্তার এমন গৌরবময় অর্জনে ডিমলা উপজেলাজুড়ে আনন্দের হাওয়া বইছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ উপজেলার সর্বস্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক সমাজ তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহলের মতে, মোঃ ইমরানুজ্জামানের এই অনন্য স্বীকৃতি শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি পুরো ডিমলা উপজেলার জন্য এক বিশাল গৌরব। এই অর্জন নীলফামারী জেলার প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক অগ্রগতিতে একটি বড় মাইলফলক ও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং আগামী দিনেও শিক্ষাবান্ধব প্রশাসনের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।