
যার গর্ভে জন্ম, যার পায়ে জান্নাত—তাঁকে একদিনে সীমাবদ্ধ করো না
লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সময়ের গর্ভে হারিয়ে যেতে যেতে একদিন ফিরে আসে, যেদিন মানুষ ফুল দিয়ে স্মরণ করে তাকে, কার্ডে আঁকে ভালোবাসা, সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়ালে দেয়ালে লিখে তার নাম—‘মা’।

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সময়ের গর্ভে হারিয়ে যেতে যেতে একদিন ফিরে আসে, যেদিন মানুষ ফুল দিয়ে স্মরণ করে তাকে, কার্ডে আঁকে ভালোবাসা, সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়ালে দেয়ালে লিখে তার নাম—‘মা’।

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান যখন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে আসে, যখন সব আশা ধূসর ধুলোয় মিশে যায়—তখনো এক অনন্ত আশ্রয়, এক চিরন্তন ভালোবাসা আমাদের ডেকে নেয় নীরবে। সে

আজ ঐতিহাসিক ৫ মে। ক্যালেন্ডারে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও বদলায়নি সেই ‘ভয়াল রাতের স্মৃতি’। ২০১৩ সালের এই দিন, ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে ইতিহাসের ‘নির্মমতম গণহত্যা’ সংঘটিত হয়। আমি ছিলাম সেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সে ছিল স্বপ্নবতী এক তরুণী—চেহারায় মাধুর্য, মননে দীপ্তি। চোখে ছিল স্বপ্ন, হৃদয়ে ছিল নির্মল আকাঙ্ক্ষা। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়ার সময় একদিন স্বাভাবিকভাবেই বাবার কাছে বিয়ের কথা তুলেছিল

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সকাল যখন দিগন্তে আলো ছড়িয়ে দেয়, তখন প্রথম যে শব্দ ভেসে আসে, তা হলো হাতুড়ির শব্দ, করাতের ঘর্ষণ কিংবা জমিনে পড়া চাষির পায়ের ছাপ। এ

লেখক: মাওলানা আসগর সালেহী মে দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: মে দিবস, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় প্রতি বছর ১ মে। এর সূচনা ১৮৮৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে, যখন শ্রমিকরা

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা আজকের যুগে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যমের আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও বই পড়ার গুরুত্ব একেবারেই কমে যায়নি। বিশেষত, যে প্রজন্মটি এখন ডিজিটাল

শাহেদ ইবনে ইউনুস, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা ইসলামী চিন্তাধারার মৌলিক ভিত্তিসমূহের মধ্যে “তাকওয়া” এমন একটি অনন্য গুণ, যা ব্যক্তির আত্মা, চিন্তা, আচরণ, ও সামাজিক অবস্থানকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান দুনিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো যখন কোলাহলে ডুবে যায়, জীবন যখন হয়ে ওঠে ছুটে চলা এক অবিরাম স্রোত, তখন কোথাও নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে কিছু পুরুষ। তারা মুখে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান ইসলাম আজ আমাদের পোস্টারে আছে, কিন্তু চরিত্রে নেই। আছে মিছিলে, কিন্তু নেই মননে। ইসলাম যেন এখন এক রাজনৈতিক টুল—যার কাজ মানুষের আবেগকে জ্বালানো, নয়ত ক্ষমতার

একজন লেখক, শিক্ষা অনুরাগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, কর্ণপুর গ্রাজুয়েট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ’র অকাল মৃত্যু! তে সর্বত্রই শোকের মাতম তাই’ত কবির ভাষায়

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: সে আসে হাওয়ার মতো—না বলে, না জানিয়ে। আসে নিঃশব্দে, ঠিক যেমন সন্ধ্যার আলো ঢুকে পড়ে ঘরের কোণে, বোঝা যায় না কখন আসছে, আবার বুঝে ওঠার আগেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর পতাকা ওড়ানো কি সত্যিই অপরাধ? না কি পতাকায় লেখা সত্য—”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”—এই ঘোষণা রাষ্ট্রের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়? যেদিন কালেমার পতাকা

লেখক,শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর গাজার ভোর এখন আর সূর্যোদয়ের প্রতীক নয়, বরং এক আগুনঝরা আর্তনাদ। প্রতিটি নতুন দিন শুরু হয় মৃত্যুর গণনায়, প্রতিটি রাত শেষ হয় শিশুর কান্নায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চেপে

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: এক সময় প্রেম ছিল নিঃশব্দ। কোনো ক্যামেরা তাক করত না সেই মুহূর্তে, কেউ ‘লাইক’ বা ‘কমেন্ট’ করত না। তবুও একটা চিঠি পেয়ে কারও গাল লাল হয়ে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সময়ের গর্ভে হারিয়ে যেতে যেতে একদিন ফিরে আসে, যেদিন মানুষ

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান যখন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে আসে, যখন সব আশা

আজ ঐতিহাসিক ৫ মে। ক্যালেন্ডারে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও বদলায়নি সেই ‘ভয়াল রাতের স্মৃতি’। ২০১৩

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সে ছিল স্বপ্নবতী এক তরুণী—চেহারায় মাধুর্য, মননে দীপ্তি। চোখে ছিল

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সকাল যখন দিগন্তে আলো ছড়িয়ে দেয়, তখন প্রথম যে শব্দ

লেখক: মাওলানা আসগর সালেহী মে দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: মে দিবস, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা আজকের যুগে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল

শাহেদ ইবনে ইউনুস, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা ইসলামী চিন্তাধারার মৌলিক ভিত্তিসমূহের মধ্যে “তাকওয়া”

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান দুনিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো যখন কোলাহলে ডুবে যায়, জীবন যখন হয়ে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান ইসলাম আজ আমাদের পোস্টারে আছে, কিন্তু চরিত্রে নেই। আছে মিছিলে,

একজন লেখক, শিক্ষা অনুরাগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, কর্ণপুর গ্রাজুয়েট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: সে আসে হাওয়ার মতো—না বলে, না জানিয়ে। আসে নিঃশব্দে, ঠিক যেমন

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর পতাকা ওড়ানো কি সত্যিই অপরাধ? না

লেখক,শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর গাজার ভোর এখন আর সূর্যোদয়ের প্রতীক নয়, বরং এক আগুনঝরা আর্তনাদ। প্রতিটি

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: এক সময় প্রেম ছিল নিঃশব্দ। কোনো ক্যামেরা তাক করত না সেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সময়ের গর্ভে হারিয়ে যেতে যেতে একদিন ফিরে আসে, যেদিন মানুষ ফুল দিয়ে স্মরণ করে তাকে, কার্ডে আঁকে ভালোবাসা, সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়ালে দেয়ালে লিখে তার নাম—‘মা’।

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান যখন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে আসে, যখন সব আশা ধূসর ধুলোয় মিশে যায়—তখনো এক অনন্ত আশ্রয়, এক চিরন্তন ভালোবাসা আমাদের ডেকে নেয় নীরবে। সে

আজ ঐতিহাসিক ৫ মে। ক্যালেন্ডারে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও বদলায়নি সেই ‘ভয়াল রাতের স্মৃতি’। ২০১৩ সালের এই দিন, ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে ইতিহাসের ‘নির্মমতম গণহত্যা’ সংঘটিত হয়। আমি ছিলাম সেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সে ছিল স্বপ্নবতী এক তরুণী—চেহারায় মাধুর্য, মননে দীপ্তি। চোখে ছিল স্বপ্ন, হৃদয়ে ছিল নির্মল আকাঙ্ক্ষা। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়ার সময় একদিন স্বাভাবিকভাবেই বাবার কাছে বিয়ের কথা তুলেছিল

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সকাল যখন দিগন্তে আলো ছড়িয়ে দেয়, তখন প্রথম যে শব্দ ভেসে আসে, তা হলো হাতুড়ির শব্দ, করাতের ঘর্ষণ কিংবা জমিনে পড়া চাষির পায়ের ছাপ। এ

লেখক: মাওলানা আসগর সালেহী মে দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: মে দিবস, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় প্রতি বছর ১ মে। এর সূচনা ১৮৮৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে, যখন শ্রমিকরা

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা আজকের যুগে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যমের আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও বই পড়ার গুরুত্ব একেবারেই কমে যায়নি। বিশেষত, যে প্রজন্মটি এখন ডিজিটাল

শাহেদ ইবনে ইউনুস, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা ইসলামী চিন্তাধারার মৌলিক ভিত্তিসমূহের মধ্যে “তাকওয়া” এমন একটি অনন্য গুণ, যা ব্যক্তির আত্মা, চিন্তা, আচরণ, ও সামাজিক অবস্থানকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান দুনিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো যখন কোলাহলে ডুবে যায়, জীবন যখন হয়ে ওঠে ছুটে চলা এক অবিরাম স্রোত, তখন কোথাও নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে কিছু পুরুষ। তারা মুখে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান ইসলাম আজ আমাদের পোস্টারে আছে, কিন্তু চরিত্রে নেই। আছে মিছিলে, কিন্তু নেই মননে। ইসলাম যেন এখন এক রাজনৈতিক টুল—যার কাজ মানুষের আবেগকে জ্বালানো, নয়ত ক্ষমতার

একজন লেখক, শিক্ষা অনুরাগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, কর্ণপুর গ্রাজুয়েট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ’র অকাল মৃত্যু! তে সর্বত্রই শোকের মাতম তাই’ত কবির ভাষায়

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: সে আসে হাওয়ার মতো—না বলে, না জানিয়ে। আসে নিঃশব্দে, ঠিক যেমন সন্ধ্যার আলো ঢুকে পড়ে ঘরের কোণে, বোঝা যায় না কখন আসছে, আবার বুঝে ওঠার আগেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর পতাকা ওড়ানো কি সত্যিই অপরাধ? না কি পতাকায় লেখা সত্য—”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”—এই ঘোষণা রাষ্ট্রের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়? যেদিন কালেমার পতাকা

লেখক,শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর গাজার ভোর এখন আর সূর্যোদয়ের প্রতীক নয়, বরং এক আগুনঝরা আর্তনাদ। প্রতিটি নতুন দিন শুরু হয় মৃত্যুর গণনায়, প্রতিটি রাত শেষ হয় শিশুর কান্নায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চেপে

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: এক সময় প্রেম ছিল নিঃশব্দ। কোনো ক্যামেরা তাক করত না সেই মুহূর্তে, কেউ ‘লাইক’ বা ‘কমেন্ট’ করত না। তবুও একটা চিঠি পেয়ে কারও গাল লাল হয়ে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সময়ের গর্ভে হারিয়ে যেতে যেতে একদিন ফিরে আসে, যেদিন মানুষ ফুল দিয়ে স্মরণ করে তাকে, কার্ডে আঁকে ভালোবাসা, সোশ্যাল মিডিয়ার

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান যখন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে আসে, যখন সব আশা ধূসর ধুলোয় মিশে যায়—তখনো এক অনন্ত আশ্রয়, এক চিরন্তন ভালোবাসা

আজ ঐতিহাসিক ৫ মে। ক্যালেন্ডারে অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও বদলায়নি সেই ‘ভয়াল রাতের স্মৃতি’। ২০১৩ সালের এই দিন, ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে ইতিহাসের ‘নির্মমতম গণহত্যা’

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সে ছিল স্বপ্নবতী এক তরুণী—চেহারায় মাধুর্য, মননে দীপ্তি। চোখে ছিল স্বপ্ন, হৃদয়ে ছিল নির্মল আকাঙ্ক্ষা। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়ার সময় একদিন স্বাভাবিকভাবেই

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান সকাল যখন দিগন্তে আলো ছড়িয়ে দেয়, তখন প্রথম যে শব্দ ভেসে আসে, তা হলো হাতুড়ির শব্দ, করাতের ঘর্ষণ কিংবা জমিনে

লেখক: মাওলানা আসগর সালেহী মে দিবসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: মে দিবস, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় প্রতি বছর ১ মে। এর সূচনা ১৮৮৬ সালের

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা আজকের যুগে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল মাধ্যমের আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও বই পড়ার গুরুত্ব একেবারেই কমে যায়নি।

শাহেদ ইবনে ইউনুস, মুতায়াল্লীম: দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা, ঢাকা ইসলামী চিন্তাধারার মৌলিক ভিত্তিসমূহের মধ্যে “তাকওয়া” এমন একটি অনন্য গুণ, যা ব্যক্তির আত্মা, চিন্তা, আচরণ, ও

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান দুনিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো যখন কোলাহলে ডুবে যায়, জীবন যখন হয়ে ওঠে ছুটে চলা এক অবিরাম স্রোত, তখন কোথাও নীরবে দাঁড়িয়ে

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান ইসলাম আজ আমাদের পোস্টারে আছে, কিন্তু চরিত্রে নেই। আছে মিছিলে, কিন্তু নেই মননে। ইসলাম যেন এখন এক রাজনৈতিক টুল—যার কাজ

একজন লেখক, শিক্ষা অনুরাগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, কর্ণপুর গ্রাজুয়েট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ’র অকাল মৃত্যু! তে সর্বত্রই

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: সে আসে হাওয়ার মতো—না বলে, না জানিয়ে। আসে নিঃশব্দে, ঠিক যেমন সন্ধ্যার আলো ঢুকে পড়ে ঘরের কোণে, বোঝা যায় না কখন

লেখক জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান, শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর পতাকা ওড়ানো কি সত্যিই অপরাধ? না কি পতাকায় লেখা সত্য—”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”—এই ঘোষণা রাষ্ট্রের গায়ে আগুন

লেখক,শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর গাজার ভোর এখন আর সূর্যোদয়ের প্রতীক নয়, বরং এক আগুনঝরা আর্তনাদ। প্রতিটি নতুন দিন শুরু হয় মৃত্যুর গণনায়, প্রতিটি রাত শেষ হয়

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান: এক সময় প্রেম ছিল নিঃশব্দ। কোনো ক্যামেরা তাক করত না সেই মুহূর্তে, কেউ ‘লাইক’ বা ‘কমেন্ট’ করত না। তবুও একটা চিঠি