মোঃ বাদশা প্রামানিক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডিমলার জেলা পরিষদ স্কুল এন্ড কলেজে দশম শ্রেণীর ছাত্র আল-আমিন ছুরিকাঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রংপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আল-আমিনের চিকিৎসার ব্যয় বাবদ উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান তার বাবার হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলা প্রশাসনের অফিস কক্ষে আল-আমিনের পিতা নুর ইসলামের হাতে অসুস্থ আল আমিনের চিকিৎসার ব্যয় বাবদ নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন।
গত ২৭ নভেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২ টায় বিদ্যালয় ভবনের তৃতীয় তলায় একই প্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীর নাসিম হোসেনের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আল-আলামিন। সহপাঠীরা আল-আমিনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আল-আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।তাকে আই, সি, ইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার শরীরের কয়েকটি স্থানে অস্ত্র পাচার করা হয়েছে। সে এখনো সংকটাপণ্ন অবস্থায় রয়েছে। ব্যাপারে আল-আমিনের পিতা নুর ইসলাম বাদী হয়ে ঘাতক নাসিম হোসেন (১৮) সহ অজ্ঞাত ৫ জনের নামে মামলা করেছেন।
চিকিৎসার ব্যয় বাবদ নগদ অর্থ প্রধানের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার-ডিমলা সার্কেল) নিয়াজ মেহেদী এবং ডিমলা থানার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ পরিতোষ চন্দ্র রায়, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীবৃন্দসহ আল-আমিনের সহপাঠীবৃন্দ।