নিজস্ব প্রতিনিধি:
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, হাওড় অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এ সহায়তা সর্বনিম্ন সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়তে পারে এবং আগামী তিন মাস ধরে এ কার্যক্রম চলবে।
সোমবার (৪ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা জানান, আলুর বাম্পার ফলন হলেও সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। তারা সমস্যাটির দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আলুর বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বাড়ানোর মাধ্যমে এ সংকট কাটিয়ে ওঠার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
এছাড়া কুরবানির পশুর বাজার নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, দেশে কুরবানির গরুর কোনো ঘাটতি নেই, তবে অতিরিক্ত সরবরাহও নেই। ফলে বাজারে সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সীমান্ত দিয়ে নতুন করে গরু আমদানির সম্ভাবনাও নেই।