নিজস্ব প্রতিনিধি:
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, একই ভবনে বসবাসের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শিশুটিকে কৌশলে নিজেদের বাসায় নেওয়া হয়। পরে একটি মর্মান্তিক ঘটনার মাধ্যমে তার মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করা হয় এবং সোহেল রানাকে পালানোর সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধেও। তদন্তে উঠে এসেছে, পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খুঁজতে এসে বারবার দরজায় ডাকাডাকি করলেও দরজা খুলতে দেরি করা হয়। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি জানালার পথ দিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন সকালে শিশুটিকে অভিযুক্তদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু সময় পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্দেহজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সময় সেখানে আরও একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।