নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অর্ধশতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থান ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে সবকটি পুশ-ইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) লালমনিরহাট, নওগাঁ ও পঞ্চগড় সীমান্তে পৃথক ঘটনায় এসব অপচেষ্টার খবর পাওয়া গেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বিজিবি।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা ও আদিতমারী উপজেলার চারটি সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতায় সেই প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে ওই ব্যক্তিদের ভারতের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তে ভোরের দিকে আরও ১৭ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজিবি বাধা দিলে তারাও ভারতের সীমান্তবর্তী শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়।
এ ছাড়া পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতের প্রধানপাড়া এলাকা থেকে কাঁটাতারের গেট খুলে ১০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে বিএসএফ তাদের সরিয়ে নিয়ে যায় এবং পরে ভারতের অংশের শূন্যরেখায় রাখা হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় পঞ্চগড় সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে।