মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ও পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের উদ্যোগে যৌথ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় জামালপুর বাজারের গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
পল্লী চিকিৎসক এমএ হামিদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি কুদরত ই রহমান মহব্বত, পল্লী চিকিৎসক নাসির উদ্দিন, শরীফুল ইসলাম বাচ্চু, সালাউদ্দিন, মিলন, প্রিন্স হোসেন, কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির মীর মহিদুল ইসলাম, মানস কুমার সাহা, দিলীপ ইন্দ্র, টেন্ডুল ভট্রাচার্য্য প্রমুখ।
সভায় জামালপুর বাজারের চিকিৎসক, ফার্মেসী সহ সকল প্রকার ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসন, বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানানো হবে বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ভাবে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা। ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা এবং আত্মসম্মান বজায় রাখতে, সর্বস্তরের সুধীমহল ও এলাকাবাসীর প্রতি আবেদন। সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত বিচার এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, সকল চিকিৎসক ও ফার্মাসিস্ট সহ ব্যবসায়ীদের দাবীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
বক্তারা বলেন, গত ২৫ এপ্রিল রাত ৮ টার সময় জামালপুর বাজারের পল্লী চিকিৎসক রশিদ মিয়ার চেম্বারে অনধিকার প্রবেশ করে দুর্গাপুর গ্রামের বাঁশি মন্ডলের ছেলে রাসেলে মণ্ডল, তার চাচাতো ভাই অপু মন্ডলসহ সংঘবদ্ধ চক্র। চিকিৎসা নেওয়ার বাহানা করে তাকে শারীরিক নির্যাতন করে এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। তার চিৎকার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন ও ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। চিকিৎসকের ড্রয়ার ও পকেট থেকে প্রায় ১৮-১৯ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জামালপুর বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসকরা জামালপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসক রশিদ মিয়ার উপর সন্ত্রাসী হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবীতে ধর্মঘটের ডাক দেন। ঔষধের দোকান ১ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর বিষয়টি থানার অফিসার ইনচার্জ জানতে পেরে সরেজমিনে যান। তিনি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এরপর থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য বিভিন্ন চিকিৎসকদের হুমকি দিচ্ছে। আমরা দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।