রুবেল ফরাজী, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আগামী কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে উঠে আসা সাবেক ছাত্রনেতা শাফায়েত রাব্বি আরাফাত। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ তাকে এ পদে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
শাফায়েত রাব্বি আরাফাত বৃহত্তর মিরপুরের তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে এসে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন থানা ও কলেজ ইউনিটে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল হয় এবং একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে ওঠে।
বিগত রাজনৈতিক সময়ে তিনি শতাধিক মামলা, পুলিশি হয়রানি ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও দলীয় কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াননি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে তাকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
ছাত্রদলের রাজনীতি শেষে শাফায়েত রাব্বি আরাফাত ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান এবং একই সাথে মোহাম্মদপুর সাংগঠনিক জোনের টিম লিডার মনোনীত হন। এই জোনের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্থানীয় যুবদলের অভ্যন্তরীণ বিভেদ নিরসন এবং বিভিন্ন উপ-গ্রুপের মধ্যে সমন্বয় সাধনে কাজ করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তার তত্ত্বাবধানে মোহাম্মদপুর অঞ্চলের যুবদলের ৯টি কার্যকরী ওয়ার্ড কমিটি চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।
তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মীর মতে, শাফায়েত রাব্বি আরাফাতের রাজনৈতিক জীবনে উল্লেখযোগ্য কোনো বিতর্ক নেই। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি হিসেবে মূল্যায়ন করা যেতে পারে।
সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠা, নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক—এই তিন গুণের সমন্বয়ে শাফায়েত রাব্বি আরাফাত আজ তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।