আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো তেলের দাম কমেছে। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বাজারে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ এখনো রয়ে গেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও হ্রাস পেয়ে প্রায় ৯০ ডলারে দাঁড়ায়।
এই দরপতনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক বক্তব্য। তিনি জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরান-এর সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু হতে পারে, যা সংঘাত কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
এর আগে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছিল। নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাও দেখা দিয়েছে।
তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা পুরোপুরি না কমা পর্যন্ত তেলের বাজার অস্থিরই থাকবে। হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে।
বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ব্রেন্ট তেলের দাম ১১০ থেকে ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। একইভাবে ডব্লিউটিআই তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়বে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাবে।