নিজস্ব প্রতিনিধি:
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, আগামী এক মাসের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করা হবে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহের ত্রিশালে কানহর ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কোনোভাবেই শিশু ও নারী নির্যাতন মেনে নেবে না। রামিসা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি জানান। তার ভাষায়, “এই ধরনের অপরাধ যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ করার সাহস না পায়, সে জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইন-কানুন বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু কিছু গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিচারব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।
তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, “১২ তারিখের নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে বলেই একটি পক্ষ অস্থির হয়ে উঠেছে। তারা কৃষক, কর্মসংস্থান কিংবা উন্নয়ন নিয়ে কথা না বলে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ ও কৃষক সমাজ।”
তিনি আরও দাবি করেন, দেশে যারা অরাজকতা সৃষ্টি করছে, তাদের সঙ্গে “৫ আগস্ট বিতাড়িতদের” যোগাযোগ রয়েছে।
সমাবেশের শুরুতে বক্তব্য দেন স্থানীয় যুবদলের সাবেক সভাপতি শাজাহান। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৭৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন এই খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন, তখনও তিনি উপস্থিত ছিলেন। একই স্থানে পুনরায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
পরে প্রধানমন্ত্রী ত্রিশালের দরিরামপুর নজরুল মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল ৪টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।