নিজস্ব প্রতিনিধি:
মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নতুন দায়িত্বে থাকাকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালীন আইরিন খান প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় সরকারি সুবিধা ভোগ করবেন।
তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
আইরিন খান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং উন্নয়ন আইন নিয়ে কাজ করছেন। ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে তিনি জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সুরক্ষাবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বর্তমানে তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে শিক্ষকতা করছেন।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইরিন খান। তিনি ছিলেন সংস্থাটির প্রথম নারী মহাসচিব।
এ ছাড়া ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তার এই নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।