মোঃ হাচান আল মামুন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বহু বসতবাড়ি ও সড়ক। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে শতাধিক পরিবার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।
দীর্ঘদিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বন্যাকবলিত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন উপজেলার ৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উপজেলার মেরুং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া শতাধিক পানিবন্দি পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্পিডবোটে নদীপথে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ, দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আমিন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বলেন, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।