আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানকে ঘিরে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব এবার যুক্তরাষ্ট্র-এর ওপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রিয়াদ চায়—ইরানের সঙ্গে আলোচনা সফল হোক, হরমুজ প্রণালি শর্তহীনভাবে খুলে দেওয়া হোক এবং লেবানন-এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হোক। এ বিষয়ে একাধিক মার্কিন, পশ্চিমা ও আরব কর্মকর্তা তথ্য দিয়েছেন।
সূত্রগুলোর দাবি, বুধবার এক ব্যক্তিগত ফোনালাপে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে লেবাননে যুদ্ধবিরতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এর পরদিন ট্রাম্প ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্তে সৌদি আরবের চাপ ভূমিকা রেখেছে। তবে ইসরাইল এই যুদ্ধবিরতি মানবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারের সঙ্গে ইসরাইলের সম্ভাব্য সরাসরি আলোচনার সমালোচনা করেছে। যদিও লেবানন সরকার এমন আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
এক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোহাম্মদ বিন সালমান মনে করেন হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি জরুরি। তিনি এ বিষয়টি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন।
আগামী সপ্তাহে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তার সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান-ও থাকতে পারেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উঠে এসেছে। তবে পশ্চিমা ও আরব কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবের সমর্থনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সপ্তাহেই সৌদি আরব আর্থিক সংকটে থাকা পাকিস্তানকে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।